সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
Logo বিমানবন্দর এলাকায় ডিএনসির অভিযানে ২৭কেজি গাঁজা উদ্ধার Logo যাত্রাবাড়ী, মোহাম্মদপুর, গাবতলী ও উত্তরা এলাকায় ডিএনসির পৃথক অভিযান Logo ডিএনসি ঢাকা মেট্রোঃ (উত্তর) কর্তৃক বিপুল পরিমান ইয়াবা উদ্ধার Logo মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নোয়াখালী কর্তৃক ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধার Logo ফের কড়াইল বস্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযান Logo ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে নতুন সিদ্ধান্ত Logo ডিএনসি ঢাকা মেট্রো (উত্তর) কর্তৃক বিপুল পরিমান ইয়াবা উদ্ধার Logo ডিএনসি ঢাকা মেট্রো (দক্ষিন) কর্তৃক অভিযানে ৫কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ২ Logo দেশের ৭ অঞ্চলে দুপুরের মধ্যে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা Logo ডিএনসি ঢাকা মেট্রো (দক্ষিন) কর্তৃক পৃথক পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমান ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধার

রিমান্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন সুব্রত বাইন

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২৪৪ Time View
Update : শনিবার, ৩১ মে, ২০২৫, ১২:৪১ অপরাহ্ন
রিমান্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন সুব্রত বাইন
রিমান্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন সুব্রত বাইন

বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের ‘টার্গেট’ করে হামলা চালিয়ে অস্থিরতা সৃষ্টির পরিকল্পনা ছিল শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইন ও তার বাহিনীর। এছাড়াও ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর কমান্ডো প্রশিক্ষণ নিয়েছেন তিনি। রিমান্ডে জেরার মুখে এসব তথ্য জানিয়েছে সুব্রত নিজেই। এছাড়াও জিজ্ঞাসাবাদে সে আরও বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে। এসব তথ্যের সত্যতা যাচাই করছেন তদন্তসংশ্লিষ্টরা।‘র’-এর হয়ে সে দুবাই এবং নেপালেও দায়িত্ব পালন করেছে। বাংলাদেশেও সে একাধিকবার টার্গেট মিশন নিয়ে কাজ করেছে। যুক্তরাজ্যে থাকা একটি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাকে হত্যার মিশনও তাকে দিয়েছিল সাবেক ফ্যাসিবাদী সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

সুব্রতর সঙ্গে থাকা অত্যাধুনিক স্যাটেলাইট ফোন সম্পর্কেও তথ্য পেয়েছেন তদন্তসংশ্লিষ্টরা। ফোনটি মোল্লা মাসুদের মাধ্যমে সুব্রত বাইনের কাছে পাঠিয়েছিল ‘র’। এছাড়া বাংলাদেশে কথিত আয়নাঘরে আটক থাকা অবস্থায় বিশেষ প্রয়োজনে সুব্রত বাইনকে দূরবর্তী টার্গেটকে লক্ষ্য করে আঘাতের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে ও শুক্রবার দুপুরে কয়েক দফা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় সুব্রত বাইন এবং তার সহযোগী মোল্লা মাসুদকে। ভারতের বিশেষ দুটি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ ছিল কি-না এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সুব্রত প্রথমে নীরব থাকে। এক পর্যায়ে সে জানায়, ‘র’-এর হয়ে নেপাল ও দুবাইয়েও দায়িত্ব পালন করেছে। বাংলাদেশে হত্যার মিশনের বিষয়টি কৌশলে এড়ানোর চেষ্টা করছে সুব্রত বাইন। তদন্ত কর্মকর্তাদের প্রশ্নবাণে সে আরও অনেক লোমহর্ষক তথ্য দিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০০১ সালে ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রকাশ করে তৎকালীন সরকার। এরপর সুব্রত বাইন তার সহযোগী মোল্লা মাসুদকে নিয়ে ভারতে পালিয়ে যায়। ভারত থেকে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে সে যশোর আসত। যশোরের বেজপাড়া এলাকায় সে একটি বাসা ভাড়া নেয়। ওই বাসাটি স্থানীয় লাল্টু তাকে ভাড়া করে দিয়েছিল। ওই বাসায় সুব্রত বাইনের দ্বিতীয় স্ত্রী বিউটি এবং তিন সন্তান থাকত। যশোরে বসে চাঁদার টাকা সংগ্রহ করে সুব্রত বাইন আবার কলকাতায় চলে যেত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Design & Developed by : JEWEL