এক বিবৃতিতে পিসিবি জানিয়েছে, তারা অদলবদল নীতি অনুসরণ করে ঘরোয়া পারফরমারদের সুযোগ দিচ্ছে। ওয়ানডে দলে সুযোগ পাওয়া আমির জামাল, আরাফাত মিনহাস, ফয়সাল আকরাম, হাসিবুল্লাহ, মোহাম্মদ ইরফান খান ও সাইম আইয়ুবদের কেউই এখনো পাকিস্তানের হয়ে ওয়ানডে খেলার সুযোগ পাননি। প্রথমবার টি-টোয়েন্টি দলে সুযোগ পেয়েছেন টেস্টে পাকিস্তানের নিয়মিত পারফরমার সালমান আগা।
ওয়ানডে দলে ফিরেছেন পেসার মোহাম্মদ হাসনাইন। সম্প্রতি পাকিস্তানের ঘরোয়া চ্যাম্পিয়নস ওয়ানডে কাপে ১৭ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে পাকিস্তানের হয়ে সর্বশেষ ওয়ানডে খেলেছিলেন এই পেসার। এই দুই সফরে কোনো দলেই নেই মোহাম্মদ আমির।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পাকিস্তানের সিরিজ শুরু ৪ নভেম্বর, শেষ ১৮ নভেম্বর। জিম্বাবুয়ে সিরিজ শুরু ২৪ নভেম্বর, শেষ ৫ ডিসেম্বর।
একই দিন কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের নাম প্রকাশ করেছে পিসিবি। যেখানে আট বছর পর জায়গা হারিয়েছেন ওপেনার ফখর জামান। বেশ কিছুদিন ধরেই বোর্ডের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কটা ভালো যাচ্ছে না। বাবরকে বাদ দেওয়া নিয়েও বোর্ডের সমালোচনা করেছিলেন তিনি। জায়গা হারিয়েছেন দলেও। এর সঙ্গে তাঁর চোটের সমস্যা আছে বলেও শোনা গেছে। যদিও তিনি ঘরোয়া ক্রিকেটে সম্প্রতি খেলেছেন।
টেস্ট দল থেকে বাদ পড়েও বাবর আছেন চুক্তির এ শ্রেণিতে। বাবরের সঙ্গে এ শ্রেণিতে আছে শুধু রিজওয়ান। এক ধাপ নিচে নেমে গেছেন পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি। বি শ্রেণিতে আছেন টেস্ট অধিনায়ক শান মাসুদও। এ ছাড়া একই শ্রেণিতে আছেন নাসিম শাহও।