বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
Logo মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সুনামগঞ্জ কর্তৃক ৮০ কেজি গাঁজা উদ্ধার Logo ১৩ অঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরগুলোকে হুঁশিয়ারি Logo মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ফরিদপুর কর্তৃক বৃহত্তম চালান ৩০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার Logo ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ছে কি না জানালেন ট্রাম্প Logo দেড় লাখ টন পরিশোধিত ডিজেল ও ২৫ হাজার টন অকটেন আমদানির সিদ্ধান্ত Logo ঢাকার অভিজাত বনানী এলাকায় অবৈধ শিশাবারে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিপ্তরের অভিযান Logo টানা ৫ দিন বৃষ্টির আভাস Logo নিজস্ব হাসপাতাল বা পূর্ণাঙ্গ ক্লিনিক ছাড়া বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে professional bachelor’s degree ও allied health course চালু রাখা বন্ধ হওয়া উচিত Logo ডিএনসি নোয়াখালী কর্তৃক বিপুল পরিমান ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধার Logo পারমাণবিক কার্যক্রম নিয়ে ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান যুক্তরাষ্ট্রের

১৪ ব্যাংকে ২৩৮ কোটি টাকা স্থানান্তর বিসিবির, যা বললেন ফারুক

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২২৭ Time View
Update : শনিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৫, ১:১৯ অপরাহ্ন
১৪ ব্যাংকে ২৩৮ কোটি টাকা স্থানান্তর বিসিবির, যা বললেন ফারুক
১৪ ব্যাংকে ২৩৮ কোটি টাকা স্থানান্তর বিসিবির, যা বললেন ফারুক

জাতীয় দলের হতশ্রী পারফরম্যান্সের কারণে এমনিতেই চাপে আছে বিসিবি। তার ওপর নতুন করে বিসিবির ফিক্সড ডিপোজিটের টাকা অন্য ব্যাংকে স্থানান্তর নিয়ে নতুন করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন বিসিবিপ্রধান ফারুক আহমেদ। জানা গেছে, ১৪ ব্যাংকে ২৩৮ কোটি টাকা স্থানান্তর করেছে বিসিবি। যা নিয়ে গত দুদিন ধরেই উত্তাল দেশের ক্রিকেট। এই অবস্থায় মুখ খুলেছেন বিসিবিপ্রধান।

বোর্ড পরিচালক হওয়ার পর থেকেই অন্য পরিচালকদের সঙ্গে দূরত্ব, বিপিএল আয়োজনে পেশাদারিত্বের অভাব, টিকিট বিক্রির টাকা, ডিপিএলে বিতর্কিত কাণ্ড, দর্শকদের ক্ষোভ, দলের বাজে পারফরম্যান্স সবমিলিয়ে বেশ চাপেই আছেন ফারুক। এবার তার বিরুদ্ধে ফিক্সড ডিপোজিটের টাকা অন্য ব্যাংকে সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে।

যেখানে বলা হয়েছে, ফিক্সড ডিপোজিট হিসেবে ১৪টি ব্যাংকে মোট আড়াইশ কোটি টাকা স্থানান্তর করেছে বিসিবি।

তবে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত আগস্ট থেকে বিসিবির এফডিআর স্টেটমেন্ট অনুযায়ী এই স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় লাভ হবে ক্রিকেট বোর্ডেরই। প্রথম ধাপে, আইএফআইসি আর মিডল্যান্ডের মতো হলুদ তালিকাভুক্ত ব্যাংক থেকে ১২ কোটি টাকা সরিয়ে নেয়া হয়েছে মধুমতী ব্যাংকে। তবে ঐ দুই ব্যাংকের চেয়ে মধুমতী ব্যাংক থেকে ইন্টারেস্টের হার বেশি থাকায়, আয় বাড়বে বিসিবির।

দ্বিতীয় ধাপে নেয়া হয়েছে আরো ১০ কোটি, এবারো একই ইন্টারেস্ট হার। এরপর যথাক্রমে আরো বেশ কয়েক ধাপে, কখনো হলুদ, কিংবা কখনো ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে লাল তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলো থেকে নতুন ১৪ ব্যাংকে নেয়া হয়েছে মোট ২৫০ কোটি টাকা।

এই স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় কেবল যে ইন্টারেস্ট রেট বেড়েছে এমন নয়, নতুন ব্যাংকগুলো থেকে পাওয়া যাচ্ছে স্পন্সরশিপ। এ ছাড়াও আছে ২৫ কোটি টাকার অবকাঠামোগত ইনভেস্টমেন্ট পাবার কমিটমেন্ট।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরো একটি গুঞ্জন, বোর্ড পরিচালকদের অনুমতি ছাড়া একাই টাকা সরিয়ে নিয়েছেন ফারুক। তবে এই গুঞ্জনও সত্যি নয়। মূলত বিসিবির ফাইনান্স কমিটির প্রধান ও আরো একজন প্রভাবশালী বোর্ড পরিচালক পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

এ প্রসঙ্গে বিসিবি সভাপতি সেই গণমাধ্যমকে বলেন, ‘২৩৮ কোটি টাকা। আমি কোথাও সাইন করি না। টাকাগুলো যে গেছে ওখানে, একটা নিউজ আসছে কেউ জানে না এটা হলো ওটার অ্যানসার। আর এখানে সবগুলা ২-৫% বেশি ইন্টারেস্ট রেটে দেয়া হয়েছে।’

টাকা অন্য ব্যাংকে সরিয়ে নেওয়ার পেছনে যুক্তি দেখিয়ে বিসিবিপ্রধান বলেন, ‘রেড জোন থেকে গ্রিন আর ইয়োলো জোনের ব্যাংকে নিয়ে গেছি টাকা। স্ট্যানডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকে আছে ১২ কোটি টাকা। মোট আড়াইশ কোটি। এদের থেকে আমি স্পন্সর পেয়েছি ১২ কোটি টাকার কাছাকাছি, আর প্রতিশ্রুতি পেয়েছি আরও ২৫ কোটি টাকার ইনফ্রাস্ট্রাকচার বানায় দিবে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Design & Developed by : JEWEL