নিজস্ব প্রতিবেদক: মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ হাসান মারুফ এর দিক-নির্দেশনায়, রাজধানী ঢাকাসহ দেশব্যাপী একের পর এক অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঢাকা মেট্রো: (দক্ষিণ) কার্যালয়ের অভিযানে ৪০০ (চারশত) গ্রাম হেরোইন, ১৫২০ (এক হাজার পাঁচশত বিশ) পিস ইয়াবা ও ৩৬০ (তিনশত ষাট) গ্রাম গাঁজা উদ্ধার, এসময় গ্রেফতার ।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এর মহাপরিচালক মোঃ হাসান মারুফ এর দিক- নির্দেশনায়, ঢাকা মেট্রো (দক্ষিণ) কার্যালয়ের উপপরিচালক মোঃ আনোয়ার হোসেনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ডেমরা, সবুজবাগ, মতিঝিল ও কোতয়ালী সার্কেল এর নেতৃত্বে চারটি চৌকশ টিম গঠন করে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৭ ও ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬-এ রাজধানীতে অভিযান পরিচালনা করে ৪ টি নিয়মিত মামলা ও ১৬ টি মোবাইলকোর্ট মামলা দায়ের করে।
জানা যায়, ডেমরা সার্কেল পরিদর্শক মোঃ ফজলুল হক খান এর নেতৃত্বে একটি চৌকশ টিম ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানাধীন কোনাপাড়া কাঠেরপুল খলিল মাস্টার মসজিদ রোডে সংবাদ দাতার ইঙ্গিত মোতাবেক দন্ডায়মান মোঃ শামীম খান প্রকাশ খোকন (৪৪) ও মোঃ শাহবুদ্দিন (৫৫)কে ১৫০০ (এক হাজার পাঁচশত) পিস ইয়াবাসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করে। একই টিম বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটজনাব মিল্টন বিশ্বাসের নেতৃত্বে পল্টন থানাধীন বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৮০ (আশি) গ্রাম গাঁজা উদ্ধারসহ ৮ জন আসামীকে গ্রেফতার করে। বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসামীদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও অর্থদন্ড প্রদান করেন।
এদিকে সবুজবাগ সার্কেল পরিদর্শক মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন এর নেতৃত্বে একটি চৌকশ টিম গঠন করে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, সবুজবাগ থানাধীন অতিশ দীপংকর রোডস্থ বৌদ্ধ মন্দিরের পশ্চিমপাশে চাপাইনবাবগঞ্জ টু নারায়নগঞ্জগামী আরপি রোকেয়া স্পেশাল নামীয় বাসে অভিযান পরিচালনা করে, মোঃ জেনারুল ইসলাম (৩৫) ও মোঃ মনিরুল ইসলাম (৫৫)কে ৪০০ (চারশত) গ্রাম হেরোইন ও ০২ (দুই) টি মোবাইল ফোনসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামীর জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামীগণ নিজেরা এবং অন্যান্য সহযোগীদের মাধ্যমে দীর্ঘদিন যাবৎ দেশের বিভিন্ন স্থানে হেরোইন বিক্রি করে আসছিল। উক্ত চক্রের সাথে জড়িত বাকিদের আইনের আওতায় আনতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এর গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম অব্যাহত আছে।
অন্যদিকে মতিঝিল সার্কেল পরিদর্শক মুহাম্মদ সাজেদুল আলম এর নেতৃত্বে একটি চৌকশ টিম ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ মতিঝিল থানাধীন ফকিরাপুল ও গেন্ডারিয়া থানাধীন দয়াগঞ্জ মোড়ের উত্তর পাশে অভিযান পরিচালনা করে মোঃ নাইম (৩২) পিতা মোঃ আলমগীর ও মোঃ আলী হোসেন (৪৮) ব্যক্তিদ্বয়ের দেহ তল্লাশী করে ২০০ (দুই শত) গ্রাম গাঁজা ও ২০ (বিশ) পিস ইয়াবাসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করে। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় ২টি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়।
এছাড়াও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিল্টন বিশ্বাস মহোদয়ের এর নেতৃত্বে, কোতয়ালী সার্কেল উপপরিদর্শক আসহাব উদ্দীন চৌধুরীর সমন্বয়ে বংশাল ও পল্টন থানাধীন বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৮০ (আশি) গ্রাম গাঁজা উদ্ধারসহ ৮ (আট) জন আসামীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করে। বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও অর্থদন্ড প্রদান করেন।