শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ

নিজস্ব হাসপাতাল বা পূর্ণাঙ্গ ক্লিনিক ছাড়া বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে professional bachelor’s degree ও allied health course চালু রাখা বন্ধ হওয়া উচিত

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৫০ Time View
Update : শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৬ অপরাহ্ন
নিজস্ব হাসপাতাল বা পূর্ণাঙ্গ ক্লিনিক ছাড়া বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে professional bachelor’s degree ও allied health course চালু রাখা বন্ধ হওয়া উচিত
নিজস্ব হাসপাতাল বা পূর্ণাঙ্গ ক্লিনিক ছাড়া বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে professional bachelor’s degree ও allied health course চালু রাখা বন্ধ হওয়া উচিত

নিজস্ব হাসপাতাল বা পূর্ণাঙ্গ ক্লিনিক ছাড়া বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে professional bachelor’s degree allied health course চালু রাখা বন্ধ হওয়া উচিত: বাংলাদেশের বাস্তবতা, প্রতারণার শিক্ষাবাজার এবং তোলা দুধে পোলা বাঁচানো গল্প

বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা, বিশেষ করে স্বাস্থ্যশিক্ষা, আজ এক জটিল মোড়ে এসে দাঁড়িয়েছে। একদিকে দেশের তরুণ-তরুণীরা ডাক্তার, নার্স, অপ্টোমেট্রিস্ট, ফিজিওথেরাপিস্ট, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, রেডিওগ্রাফার, ডেন্টাল টেকনোলজিস্ট, অকুপেশনাল থেরাপিস্ট, পাবলিক হেলথ প্রফেশনাল বা অন্যান্য allied health professional হওয়ার স্বপ্ন দেখছে; অন্যদিকে বাস্তবতা হলো—অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নিজস্ব হাসপাতাল, পর্যাপ্ত রোগী, দক্ষ শিক্ষক, আধুনিক ল্যাব, পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি, ইন্টার্নশিপ ব্যবস্থা, এমনকি স্থায়ী ক্লিনিক্যাল ট্রেনিং সাইট ছাড়াই এসব কোর্স চালু করে বসেছে। কাগজে-কলমে প্রতিষ্ঠান আছে, সাইনবোর্ড আছে, প্রসপেক্টাস আছে, ভর্তি বিজ্ঞাপন আছে; কিন্তু শিক্ষার মেরুদণ্ড—বাস্তব ক্লিনিক্যাল অবকাঠামো—নেই। এই অবস্থাকে যদি এক কথায় ব্যাখ্যা করতে হয়, তবে বলা যায়: এটি তোলা দুধে পোলা বাঁচানো মতো এক মিথ্যা সান্ত্বনা, যেখানে বাহ্যিক আয়োজন আছে, কিন্তু বাঁচানোর জন্য আসল পুষ্টি নেই

স্বাস্থ্যশিক্ষা কখনো শুধু বই পড়ে, স্লাইড দেখে, বা শ্রেণিকক্ষে বক্তৃতা শুনে শেষ করা যায় না। একজন শিক্ষার্থী anatomy, physiology, pathology, pharmacology, optics, refraction, imaging, rehabilitation, infection control, ethics—এসব বিষয়ে তাত্ত্বিক জ্ঞান অর্জন করতে পারে। কিন্তু healthcare professional হতে হলে তাকে রোগী দেখতে হবে, ক্লিনিক্যাল সিদ্ধান্ত নিতে শিখতে হবে, সুপারভিশনের মধ্যে কাজ করতে হবে, ইন্সট্রুমেন্ট হাতে নিতে হবে, জটিল ও বাস্তব পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে। একজন allied health graduate যদি কখনো প্রকৃত রোগীর সঙ্গে কাজই না করে, তবে তার ডিগ্রির মূল্য কী? নামের আগে কিংবা পরে degree লিখে কি রোগী নিরাপদ থাকবে? সনদ কি দক্ষতার বিকল্প? নিশ্চয়ই নয়।

বাংলাদেশের বহু ক্ষেত্রে এখন যা দেখা যাচ্ছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান এমনভাবে কোর্স চালায় যেন শিক্ষা একটি বাজারজাত পণ্য, আর শিক্ষার্থী একজন গ্রাহক মাত্র। ভর্তি মৌসুমে রঙিন বিজ্ঞাপন, বিদেশি নাম, চটকদার ব্রোশিওর, “আন্তর্জাতিক মান”, “বিশ্বমানের শিক্ষা”, “গ্যারান্টিড ক্যারিয়ার”—এসব শব্দের ঝড় তোলা হয়। কিন্তু ছাত্র ভর্তি হওয়ার পর ধীরে ধীরে প্রকাশ পায় ভয়াবহ সত্য: কোনো নিজস্ব teaching hospital নেই, স্থায়ী ক্লিনিক নেই, বেডসাইড ট্রেনিং নেই, পর্যাপ্ত রোগী নেই, শিক্ষক আছেন খণ্ডকালীন, ল্যাবরেটরি অসম্পূর্ণ, ক্লিনিক্যাল লগবুক কল্পনায় পূরণ হচ্ছে, ইন্টার্নশিপ হচ্ছে নামকাওয়াস্তে, আর পরীক্ষাও হচ্ছে এমনভাবে যাতে প্রতিষ্ঠানের সুনাম না নষ্ট হয়। এই ধরনের শিক্ষা শেষ পর্যন্ত একটি ভয়ংকর প্রতারণায় পরিণত হয়—প্রথমে শিক্ষার্থীর সঙ্গে, তারপর অভিভাবকের সঙ্গে, এবং শেষে পুরো সমাজের সঙ্গে।

কারণ স্বাস্থ্যসেবা এমন একটি ক্ষেত্র, যেখানে অযোগ্যতা মানে শুধু খারাপ চাকরি নয়; অযোগ্যতা মানে ভুল চিকিৎসা, রোগ নির্ণয়ে বিলম্ব, ভুল পরামর্শ, অপ্রয়োজনীয় রেফার, রোগীর ক্ষতি, এমনকি জীবনহানিও। আমরা যদি এমন graduate তৈরি করি, যারা certificate পেয়েছে কিন্তু competence পায়নি, তবে তারা কর্মক্ষেত্রে গিয়ে নিজেরাও বিপদে পড়বে, রোগীকেও বিপদে ফেলবে, এবং পুরো পেশার মর্যাদাকে নষ্ট করবে। সুতরাং এটি কেবল শিক্ষার প্রশ্ন নয়; এটি জনস্বাস্থ্য, নৈতিকতা, রোগীর নিরাপত্তা এবং রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের প্রশ্ন।

নিজস্ব হাসপাতাল বা পূর্ণাঙ্গ ক্লিনিক কেন জরুরি? কারণ স্বাস্থ্যবিষয়ক professional degree মানেই clinical exposure। ধরুন একটি প্রতিষ্ঠান bachelor’s degree চালাচ্ছে optometry, physiotherapy, medical imaging, laboratory medicine, speech therapy, nursing, dental technology বা অন্য কোনো allied health discipline-এ। তাহলে সেখানে অন্তত তিনটি জিনিস নিশ্চিত থাকতে হবে:
প্রথমত, পর্যাপ্ত infrastructure—যেখানে ছাত্ররা বাস্তবে কাজ শিখবে;
দ্বিতীয়ত, পর্যাপ্ত patient flow—অর্থাৎ নানা ধরনের রোগী আসবে, যাতে বাস্তব case mix দেখা যায়;
তৃতীয়ত, পর্যাপ্ত supervised training—অভিজ্ঞ, নিবন্ধিত, দক্ষ শিক্ষক ও clinical preceptor-এর তত্ত্বাবধানে শিক্ষণ।
এই তিনটির একটিও না থাকলে শিক্ষা কৃত্রিম হয়ে যায়। আর তিনটিই না থাকলে সেটি শিক্ষা নয়, বরং সনদ বিক্রির এক প্রাতিষ্ঠানিক আয়োজন।

বাংলাদেশে অনেক প্রতিষ্ঠান একটি ছোট চেম্বার, কয়েকটি বেড, অপ্রতুল যন্ত্রপাতি, অথবা অন্য কোনো হাসপাতালের সঙ্গে দুর্বল সমঝোতা স্মারক দেখিয়ে দাবি করে যে তারা clinical training দিতে সক্ষম। বাস্তবে দেখা যায়, ঐ “affiliation” কাগজে আছে, কিন্তু ছাত্রের হাতে নেই পর্যাপ্ত training hour, নেই patient contact, নেই structured assessment। শিক্ষার্থীরা অনেক সময় কেবল observation করে, তাও অনিয়মিতভাবে। এমনকি কোথাও কোথাও logbook পরে বসে পূরণ করা হয়, case history বানিয়ে লেখা হয়, practical competency কল্পনায় দেখানো হয়। এর চেয়ে বড় প্রহসন আর কী হতে পারে?

এখানেই “তোলা দুধে পোলা বাঁচানো”র উপমাটি ভয়াবহভাবে প্রাসঙ্গিক। যেমন কেউ যদি শিশুকে বাঁচানোর জন্য প্রকৃত, পুষ্টিকর, নিরাপদ দুধের বদলে কেবল দুধ তোলার গল্প শোনায়, বা অল্প যা আছে তা দিয়ে বাহানা করে, তবে শিশুর জীবন রক্ষা পায় না—তেমনি clinical education-এর মূলভিত্তি ছাড়া degree programme চালু রাখলে শিক্ষার প্রাণ রক্ষা পায় না। বাহ্যিক নাম, certificate, convocation, gown, photograph—এসব দিয়ে একজন healthcare professional তৈরি হয় না। এগুলো “দেখানো” জিনিস; কিন্তু স্বাস্থ্যপেশায় দরকার “করানো” জিনিস। আর সেই করানো শেখাতে হলে হাসপাতাল, পূর্ণাঙ্গ ক্লিনিক, ল্যাব, রোগী, শিক্ষক—সব একত্রে লাগবে।

এখন প্রশ্ন উঠতে পারে, তাহলে কি সব বেসরকারি প্রতিষ্ঠান খারাপ? মোটেও না। বেসরকারি খাত বাংলাদেশের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে, এবং অনেক ক্ষেত্রেই দিয়েছে। কিন্তু যে প্রতিষ্ঠান professional bachelor’s degree বা allied health course চালাতে চায়, তাকে অবশ্যই নির্দিষ্ট ও কঠোর মানদণ্ড পূরণ করতে হবে। শুধু ভবন থাকলেই প্রতিষ্ঠান নয়, শুধু অনুমতি থাকলেই মানসম্মত শিক্ষা নয়, আর শুধু degree দিলেই professional তৈরি হয় না। মান নিশ্চিত না করে বেসরকারি খাতে স্বাস্থ্যশিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া মানে জাতির ভবিষ্যৎ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা।

এই সমস্যার আরেকটি ভয়াবহ দিক হলো—এতে শিক্ষার্থীদের জীবন ধ্বংস হয়। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের বহু ছেলে-মেয়ে জমি বেচে, ঋণ করে, গয়না বন্ধক রেখে এইসব কোর্সে ভর্তি হয়। চার-পাঁচ বছর কষ্ট করে পড়াশোনা শেষে তারা যখন চাকরির বাজারে নামে, তখন বোঝে তাদের training অসম্পূর্ণ, clinical confidence দুর্বল, licensing বা registration জটিল, পেশাগত পরিচয় অস্পষ্ট, এবং অনেক employer তাদের দক্ষতা নিয়ে সন্দিহান। তখন শিক্ষার্থীর মনে জন্ম নেয় হতাশা, ক্ষোভ, বঞ্চনা ও অনিশ্চয়তা। পরিবার ভাবে—এত টাকা খরচ করেও কী পেলাম? রাষ্ট্র ভাবে—এত graduate বের হচ্ছে, কিন্তু স্বাস্থ্যব্যবস্থার মান বাড়ছে না কেন? আর সমাজ ভাবে—ডিগ্রি এত, কিন্তু সেবা এত দুর্বল কেন? এর উত্তর একটাই: ভিত ছাড়া অট্টালিকা দাঁড়ালে সেটি টেকে না

কিছু প্রতিষ্ঠান আবার যুক্তি দেয় যে নিজস্ব হাসপাতাল বানানো ব্যয়বহুল, তাই partnership model, shared training site, visiting faculty, outsourced practical arrangement দিয়েই কোর্স চালানো যায়। বাস্তবতা হলো—এই মডেল কিছু সীমিত ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে, কিন্তু নিজস্ব স্থায়ী clinical control ছাড়া পূর্ণাঙ্গ professional degree চালানো নিরাপদ নয়। কারণ outsourcing-এর মাধ্যমে শিক্ষার continuity থাকে না, accountability দুর্বল হয়, training quality ভেঙে পড়ে, student-to-patient ratio নিয়ন্ত্রণ করা যায় না, এবং clinical competency-র ন্যূনতম মান নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ে। যে শিক্ষা প্রাণের সঙ্গে সম্পর্কিত, সেখানে “চলে যাবে” মনোভাব মারাত্মক বিপজ্জনক।

বাংলাদেশে এখনই সময় এসেছে একটি কঠোর, বাস্তবভিত্তিক, স্বচ্ছ নীতি গ্রহণের। যে কোনো প্রতিষ্ঠান যদি professional bachelor’s degree বা allied health course চালাতে চায়, তবে তাকে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে—তার নিজস্ব hospital/teaching clinic আছে; সেখানে পর্যাপ্ত রোগী আসে; প্রতি বিষয়ে পর্যাপ্ত qualified full-time শিক্ষক আছে; প্রয়োজনীয় ল্যাব, যন্ত্রপাতি, সেফটি প্রটোকল, skill lab, library, research support ও internship ব্যবস্থা আছে;এবং regulator চাইলে যে কোনো সময় surprise inspection করে সত্যতা যাচাই করতে পারবে।
এই শর্ত পূরণ না করলে সেই প্রতিষ্ঠানকে কোর্স চালানোর অনুমতি দেওয়া উচিত নয়, এবং যেগুলো ইতিমধ্যে চলছে সেগুলোও ধাপে ধাপে বন্ধ করতে হবে অথবা কঠোরভাবে পুনর্গঠন করতে হবে।

এখানে “বন্ধ” শব্দটি কারও বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নয়; বরং জনস্বার্থে একটি সংশোধন। কারণ অনিয়ন্ত্রিত ও অবকাঠামোহীন স্বাস্থ্যশিক্ষা চলতে দিলে ক্ষতি বহুমাত্রিক। এটি যেমন শিক্ষার্থীর ক্ষতি করে, তেমনি যোগ্য প্রতিষ্ঠানেরও ক্ষতি করে। যারা সত্যিকারের হাসপাতাল বানিয়েছে, ক্লিনিক তৈরি করেছে, পূর্ণকালীন শিক্ষক নিয়োগ করেছে, রোগীভিত্তিক প্রশিক্ষণ দিচ্ছে—তারা তখন unfair competition-এর শিকার হয়। কারণ নিম্নমানের প্রতিষ্ঠান কম খরচে, কম দায়ে, বেশি ভর্তি নিয়ে বাজার দখল করতে চায়। এর ফলে পুরো sector-ই নষ্ট হয়ে যায়। মান বজায় রাখার সংস্কৃতি ভেঙে পড়ে, “যেভাবেই হোক degree” সংস্কৃতি জেঁকে বসে।

রাষ্ট্রের ভূমিকা এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেবল অনুমোদন দিয়ে দায় শেষ করলে চলবে না। নিয়মিত audit, accreditation, re-accreditation, student feedback, graduate competency tracking, employer satisfaction survey, clinical case log verification—এসব বাধ্যতামূলক করতে হবে। স্বাস্থ্যবিষয়ক professional education-এর জন্য আলাদা independent quality assurance framework দরকার। “একবার অনুমতি পেলেই চিরকালের লাইসেন্স” ধরনের ব্যবস্থা চলতে পারে না। যেদিন regulator সত্যিকার অর্থে কঠোর হবে, সেদিনই এই সনদ-ব্যবসার অনেকটাই বন্ধ হবে।

অভিভাবকদেরও সচেতন হতে হবে। শুধু প্রতিষ্ঠানের নাম, বিল্ডিং, brochure, বা social media promotion দেখে সন্তানকে ভর্তি করানো যাবে না। জিজ্ঞেস করতে হবে: নিজস্ব হাসপাতাল কোথায়? প্রতিদিন কত রোগী আসে? ছাত্ররা কোথায় practical করে? ইন্টার্নশিপ কি নিশ্চিত? শিক্ষকরা full-time নাকি visiting? clinical logbook কীভাবে যাচাই হয়? graduate-রা কোথায় কাজ করছে? registration status কী? এই প্রশ্ন না করলে প্রতারক প্রতিষ্ঠানগুলো আরো শক্তিশালী হবে।

সবশেষে বলতে হয়, বাংলাদেশ এখন এমন একটি পর্যায়ে আছে যেখানে স্বাস্থ্যখাতে লোকবল দরকার, কিন্তু সংখ্যার চেয়ে গুণগত মান বেশি জরুরি। হাজার হাজার অদক্ষ graduate বের করার চেয়ে কমসংখ্যক কিন্তু দক্ষ, নৈতিক, ক্লিনিক্যালি সক্ষম professional তৈরি করা অনেক বেশি প্রয়োজন। কারণ স্বাস্থ্যসেবায় ভুলের মূল্য অনেক বড়। এখানে পরীক্ষামূলক শিক্ষা, সাজানো competency, এবং বানানো clinical exposure দিয়ে জাতিকে এগিয়ে নেওয়া যাবে না।

তাই সময় এসেছে স্পষ্ট ভাষায় বলার: নিজস্ব হাসপাতাল বা পূর্ণাঙ্গ ক্লিনিক ছাড়া বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সকল professional bachelor’s degree এবং allied health course চালু রাখা বন্ধ হওয়া উচিত। এটি শিক্ষা রক্ষার জন্য জরুরি, শিক্ষার্থী রক্ষার জন্য জরুরি, রোগী রক্ষার জন্য জরুরি, এবং দেশের ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যব্যবস্থা রক্ষার জন্যও জরুরি। অন্যথায় আমরা কেবল degree বানাব, professional নয়; certificate দেব, competence নয়; স্বপ্ন দেখাব, ভবিষ্যৎ নয়। আর সেটাই হবে প্রকৃত অর্থে—তোলা দুধে পোলা বাঁচানো গল্প, যেখানে বাহানা আছে, আয়োজন আছে, কিন্তু বাঁচার আসল উপাদান নেই।

ড. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান
সহকারী অধ্যাপক ও গবেষণা ফেলো
ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড সায়েন্স ইউনিভার্সিটি (MSU), মালয়েশিয়া


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Design & Developed by : JEWEL