শুকনো মরিচ খেলে দূর হবে ৭ রোগ

অনেকের ধারণা, বেশি শুকনো লঙ্কা খেলে পেটের অসুখ হয়।

শুকনো লঙ্কা, রান্নার স্বাদ বাড়াতে সাহায্য করে। অনেকের মতে কাঁচা লঙ্কা বেশি উপকারী। কিন্তু বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, শুকনো লঙ্কায়ও উপকারের শেষ নাই। ক্যানসার, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে শুকনো লঙ্কা রাখা যেতেই পারে। সুস্বাস্থ্যের জন্য শুকনো লঙ্কা বেশ কার্যকর। 

আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন জানাচ্ছে, লঙ্কার মতো মসলা খাবারে মেশালে খাবারের স্বাদ বাড়ে। আচার কিংবা আলু ভর্তায় শুকনো লঙ্কা আলাদা রং ও স্বাদ নিয়ে আসে। 

শুকনো লঙ্কা নানা রোগের উপসমে কাজ করে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ৭টি রোগের নিরাময়ে লঙ্কার কার্যকারিতা সম্পর্কে আলোকপাত করা হলো-

১. ইমিউনিটি বাড়ায়
শরীরের ইমিউনিটি (Immunity) বাড়িয়ে নিতে চাইলে অবশ্যই এমন খাবার খান যা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, শুকনো লঙ্কায় বাড়তে পারে ইমিউনিটি। তাই ইমিউনিটি বাড়াতে খাবারে শুকনো লঙ্কা রাখুন। 

২. অ্যানিমিয়া দূর করে
এই রোগটির কারণে বহু মানুষ সমস্যায় পড়েন। রক্তস্বল্পতার (Anemia) কারণে শরীর দুর্বল হতে থাকে। তাই এই সমস্যাকে দূর করতেই আপনাকে সাহায্য করতে পারে শুকনো লঙ্কা। শুকনো লঙ্কার মধ্যে রয়েছে ভালো পরিমাণে ফোলেট ও ভিটামিন বি ৬।

৩. চোখ ভালো রাখে: শুকনো লঙ্কায় থাকে ভিটামিন এ, যা চোখের জন্য খুব উপকারী। রেটিনার কোষের ক্ষয় আটকায়। দৃষ্টি শক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে।

৪. প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়: শুকনো লঙ্কায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ ও সি থাকে। এই লঙ্কা নাসিকাপথ পরিষ্কার করে। অন্ত্র, মূত্রনালি ও ফুসফুসে কোনো সংক্রমণের ঝুঁকিও কমায়।

৫. ব্যথা কমায়: বাতের ব্যথায় শুকনো লঙ্কা দারুণ কাজ দেয়। শুকনো লঙ্কায় থাকা ক্যাপসাইসিন যে কোনো ধরনের পেশির ব্যথা, গাঁটের ব্যথা ও অস্টিও-আর্থারাইটিসের যন্ত্রণা কমায়। ঠান্ডা লেগে গলা ব্যথা করলেও শুকনো লঙ্কা খেলে উপশম পাওয়া যায়।

৬. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে: শুকনো লঙ্কা কোলেস্টেরল কমায়। অনুচক্রিকাকে জমাট বাঁধতে দেয় না। রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখে। ধমনীকে প্রসারিত করে। যার ফলে কমে রক্তচাপ। কমে হৃদ্‌রোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকিও।

৭. যৌন উদ্দীপনা বাড়ায়: শুকনো লঙ্কায় থাকা ক্যাপসাইসিন যৌন উত্তেজনা বাড়িয়ে তোলে।