আমিরাতের নতুন প্রেসিডেন্টকে নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের যে প্রত্যাশা!

শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান আমিরাতের নতুন প্রেসিডেন্ট হওয়ায় বাংলাদেশের সঙ্গে দেশটির বন্ধন আরও জোরালো হবে বলে মনে করছেন বাংলাদেশি প্রবাসীরা। নাহিয়ান আবুধাবির শাসকের দায়িত্বভার নেওয়ার পর প্রবাসী বাংলাদেশিদের পরম বন্ধু হিসেবে কাজ করে আসছিলেন।

আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ খলিফা বিন জায়েদের মৃত্যুর পর পরবর্তী শাসক কে হবেন, তা নিয়ে কোনো সংশয় ছিল না। কেননা, নতুন প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান দীর্ঘদিন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার বিভিন্ন দায়িত্বে থেকে নিজেকে তৈরি করেছেন একজন যোগ্য নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তি হিসেবে।

একজন প্রবাসী বলেন, ‘আমরা প্রায় ১০ লাখ প্রবাসী এখানে বসবাস করি। আমাদের সরকার এই প্রবাসীদের কথা চিন্তা করে আরব আমিরাতের সরকারকে আরও বেশি গুরুত্ব দেবেন।’সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসকারী প্রবাসী বাংলাদেশি আইসিটি ব্যক্তিত্ব শাহরিয়ার পাভেল এ বিষয়ে বলেন, অনেকের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, নতুন প্রেসিডেন্ট অবশ্যই এ বিষয়গুলো দেখবেন।’এদিকে নাহিয়ান প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় খুশি প্রবাসী বাংলাদেশিরা। এই শাসককে একজন জনবান্ধব নেতা হিসেবে দেখছেন তারা।

বাংলাদেশি প্রকৌশলী করিমুল হক বলেন, ‘নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত খুশির খবর। আমরা মনে করি, শেখ জায়েদ ও শেখ খলিফার পথ ধরে নতুন রাষ্ট্রপ্রধান বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখবেন।’

শেখ মোহাম্মদ ১৯৬১ সালের ১১ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দেশটির প্রতিষ্ঠাতা ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রথম প্রেসিডেন্ট শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ানের তৃতীয় ছেলে। শেখ মোহাম্মদ কৌশলগত পরিকল্পনা, প্রশিক্ষণ, সাংগঠনিক কাঠামো এবং প্রতিরক্ষা সক্ষমতা প্রচারের ক্ষেত্রে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সশস্ত্র বাহিনীকে বিকাশে সহায়তা করেছেন। তার সরাসরি নির্দেশনা ও নেতৃত্ব সংযুক্ত আরব আমিরাতের সশস্ত্র বাহিনীকে একটি শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে।